রূপপুর আণবিক কেন্দ্রে রাশিয়া ফেরত বিএনপি-জামায়াত সিন্ডিকেট
প্রকাশ : ২০ জুন ২০১৯, ১৬:০৪
রূপপুর আণবিক কেন্দ্রে রাশিয়া ফেরত বিএনপি-জামায়াত সিন্ডিকেট
বিবার্তা ডেস্ক
প্রিন্ট অ-অ+

রূপপুর আণবিক কেন্দ্রে সুপ্তভাবে রাশিয়া ফেরত বিএনপি-জামায়াত ঢুকেছে। বিভিন্ন কোম্পানিগুলোতে তারা বিভিন্ন পর্যায়ে দুর্নীতি অনিয়ম শুরু করেছে। এখানে দোভাষী নিয়োগের নামেও চলছে অনিয়ম অরাজকতা।


তাদের অনেকেই বিভিন্ন পর্যায়ে কোম্পানিগুলো শীর্ষ পর্যায়ে থেকে রাষ্ট্রীয় তথা রূপপুরের গুরুত্বপূর্ণ বহু তথ্য আদান-প্রদান করছে। এখন এসব তথ্য বিনিময়ে সেখানে যে ষড়যন্ত্রে বিরাট কোনো দুর্ঘটনা ঘটবে না তা কিন্তু বলা যায় না।


রূপপুরে ২০১৫ সাল হতেই রাশিয়া হতে ফেরত বিএনপি-জামায়াত পরিবারের ব্যাকগ্রাউন্ডের অনেকেই ঢুকেছে। এরই মাঝে মোসাদ্দেক নামের এক ছেলে রাশিয়া হতে সবসময় বাঁশের কেল্লা পেইজের কাজ করতো সে গোপনে চলে আসে। পরবর্তীতে সে সেখানে গোপনে গোপনে তার পরিবারের বহুজনদের সেট করে। রুশ ভাষায় পারদর্শী ছেলেটি সহজেই রুশদের আয়ত্বে আনতে স্বক্ষম হয়। পরবর্তীতে সে বিশাল কেলেঙ্কারি, আনুমানিক ১০ কোটি টাকা লোপাটের সূত্রে সেখানের সেনা সদস্য কর্তৃক বিতাড়িত হয় এবং সুযোগ বুঝে সে আবারো রাশিয়াতে আত্মগোপনে চলে যায়।


এর মাঝে আমাদের শীর্ষ পর্যায়ের অনেক নেতৃবৃন্দ বলেন, তোমার রূপপুরে যাওয়া প্রয়োজন। সেখানে থাকা রাশিয়া আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ড. শফিকুল ইসলামের ব্যক্তিগত কোম্পানি নিয়েও ষড়যন্ত্র হয়। বেচারার বিরাট অংকের একটা টাকা একটা জামায়াত-বিএনপি সিন্ডিকেট আটকিয়ে দেয়। আমাদের সরলতার সুযোগ সবাই নেয়।


২০১৩ সালে এই পারমাণবিক চুক্তির পর রাশিয়াতে যারা বিভিন্ন সময় বিএনপি ব্যানারে প্রতিবাদ করতো তথা অনলাইন প্রোপাগান্ডা ছড়াতো তারাই এখন এখানে দোভাষী সেজে কোনো সার্টিফিকেট ছাড়াই ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকার বেতনে চাকরি করছে এবং বিভিন্ন চুরি তদবিরসহ লুটপাটের রাজ্য চালাচ্ছে। এরই প্রেক্ষিতে ছাত্রলীগ করা বহুজন সেখানে চাকরি পাচ্ছে না। এমনকি তারা এতোই শক্তিশালী হচ্ছে যে কোম্পানিগুলোর বড় বড় পোস্ট ঢাকাসহ রূপপুরে তাদের দখলে। তারা ইচ্ছামতো নিয়োগ, বেতন কর্তনসহ অবৈধ লেনদেনগুলোর নিরাপত্তার জন্য ভুয়া রুশ ভাষার সার্টিফিকেট বানিয়ে নিজেদের জঙ্গি হতে শুরু করে নিজের ঘরোয়ানা লোক নিয়োগ দিচ্ছে।


গত কিছুদিন আমি ব্যবসায়িক কাজে এখানে আসি। এসে জানতে পারি রাশিয়া ছাত্রদলের সভাপতি নাকি রূপপুরে কোনো এক কোম্পানিতে চাকরি হয়েছে। সবাই ভয়ে কথা বলে না কিন্তু আমাকে জানানোর পর আমি গোয়েন্দা সংস্থাসহ সরকারের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানাই। তারা তদন্ত করেন আসলেই যদি এভাবে সরকারবিরোধী চক্র আস্তানা গড়ে তাহলে এ মেগা প্রোজেক্ট এমনিতেই বিতর্কিত হবে। এরই মাঝে আলোচিত বালিশ কেলেঙ্কারি কথা সবার জানা।


সুষ্ঠ নীতিমালাহীন এমন অবস্থার জন্য রূপপুর আণবিক কেন্দ্রের রুশ ফেরত দোভাষী সেজে বহু জঙ্গি তথা বিএনপি-জামায়াত ব্যাকগ্রাউন্ডের লোক ঢুকে পড়েছে। যারা দোভাষী সেজে বহু তথ্য পাচার করছে। এর জন্য সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।


আমি রাশিয়া ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আমার দায়িত্ব পালন করেছি। কিন্তু এভাবে কাজকর্ম ফেলে রেখে নিজের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানো সম্ভব না।


গোয়েন্দা সংস্থাসহ রাষ্ট্রীয় উঁচু পর্যায়ের লোকজনের রূপপুর আণবিক কেন্দ্রের প্রতি নজর আরো জোরদার করা প্রয়োজন। দোভাষীর নামে কারা বিভিন্ন কোম্পানিতে ঢুকছে তার স্বচ্ছতা প্রয়োজন নতুবা তা হুমকি স্বরূপ হবে।


আমি শেখ হাসিনার কর্মী। শেখ হাসিনার প্রতিটি স্বপ্নের বিষয়ে আপোসহীন।


জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু


ফুয়াদ আদনান বিন জামাল
সাবেক সাধারণ সম্পাদক
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, রাশিয়া শাখা


বিবার্তা/জাকিয়া

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

ময়মনসিংহ রোড, শাহবাগ, ঢাকা-১০০০

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: bbartanational@gmail.com, info@bbarta24.net

© 2016 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com