সত্যিকারের পোর্টাল দ্রুত নিবন্ধন পাবে : তথ্যমন্ত্রী
প্রকাশ : ১৫ জুলাই ২০১৯, ১৫:৩২
সত্যিকারের পোর্টাল দ্রুত নিবন্ধন পাবে : তথ্যমন্ত্রী
বিবার্তা প্রতিবেদক
প্রিন্ট অ-অ+

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, নিবন্ধন পেতে আট হাজারেরও বেশি অনলাইন নিউজ পোর্টাল আবেদন করেছে। যেগুলো সত্যিকার অর্থে অনলাইন হিসেবে কাজ করে, তাদের দ্রুত রেজিস্ট্রেশনের আওতায় আনব।


সোমবার (১৫ জুলাই) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের চতুর্থ অধিবেশন শেষে তিনি এ তথ্য জানান।


সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় ও তথ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে জেলা প্রশাসকদের এ কার্য অধিবেশন হয়। মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।


তথ্যমন্ত্রী বলেন, ডিসি সম্মেলনে নিউ মিডিয়া এবং এর চ্যালেঞ্জের প্রসঙ্গ উঠে আসে। অনলাইন মিডিয়ার ক্ষেত্রে শৃঙ্খলার বিষয় সেখানে আলোচিত হয়। আমরা ইতোমধ্যে সব অনলাইনকে নিবন্ধনের আওতায় আনার জন্য দরখাস্ত আহ্বান করেছি। সোমবার (১৫ জুলাই) দরখাস্ত করার শেষ দিন। এ পর্যন্ত আমাদের কাছে আট হাজারের বেশি দরখাস্ত জমা পড়েছে।’


তিনি বলেন, আট হাজার অনলাইন বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে কতটুকু যৌক্তিক- সে প্রসঙ্গটি অবশ্যই আসে। আমরা এগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে যেগুলো আসলে প্রয়োজন, যেগুলো অনলাইন হিসেবে সত্যিকার অর্থে কাজ করতে পারবে বা করার সক্ষমতা রাখে সেগুলোকে আমরা নিবন্ধনের আওতায় আনব। পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও যাচাই-বাছাই করে। আমরা আশা করছি, যখন এ নিবন্ধন হবে, সেখানে একটি শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠিত হবে।


পরীক্ষা-নিরীক্ষায় কতদিন লাগবে- এমন প্রশ্নে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, আট হাজার আবেদন, যাচাই-বাছাই করতে একটু সময় লাগবে। যতদ্রুত সম্ভব যেগুলো সত্যিকার অর্থে অনলাইন হিসেবে কাজ করে তাদের সহসাই এ নিবন্ধনের আওতায় আনব।


তথ্যমন্ত্রী বলেন, নিউ মিডিয়ার যে চ্যালেঞ্জ, সোশ্যাল মিডিয়ার যে চ্যালেঞ্জ, সেগুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এটি শুধু বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ নয়, এটি সমগ্র পৃথিবীতেই একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এটি ইউরোপে চ্যালেঞ্জ, নর্থ আমেরিকসহ সব দেশেই এটি একটি বড় চ্যালেঞ্জ। আমরা এ চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়েই যাচ্ছি।


ডিজিটাল বাংলাদেশের সুফল জনগণ পাচ্ছে, সেটি হচ্ছে আজকে সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যাপক বিস্তৃতি। এটি যেমন মানুষের জন্য সুযোগকে অবারিত করেছে একই সঙ্গে অনেক চ্যালেঞ্জ আমাদের সামনে দাঁড় করিয়েছে। সেগুলো সমন্বিতভাবেই আমাদেরকে মোকাবেলা করতে হবে এবং এই সুযোগটিকেও আমাদের অবারিত রাখতে হবে।


তিনি বলেন, আরেকটি প্রসঙ্গ এসেছে জেলায় জেলায় তথ্যভবন নির্মাণ করা। তথ্যভবনের সাথে যাতে একটি মিলনায়তন থাকে, যেখানে অনুষ্ঠান করা যাবে, সিনেমা প্রদর্শন করা যাবে। এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে আমরা একটি প্রকল্প গ্রহণ করেছি, ২৭টি জেলায় কমপ্লেক্স নির্মাণ প্রকল্প গ্রহণ করেছি। আমরা সব জেলায় করতে চাই। এজন্য ডিসিদের স্থান নির্ধারণ করার জন্য বলা হয়েছে।


হাছান মাহমুদ বলেন, কেবল নেটওয়ার্ক পরিচালনা করার জন্য যে আইন, সে আইন বাস্তবায়নে ক’দিন আগে থেকে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছি। টেলিভিশনের ক্রম নির্ধারণের ক্ষেত্রে আগে বিশৃঙ্খলা ছিল, বাংলাদেশে চ্যানেলের মধ্যে হঠাৎ করে বিদেশি চ্যানেল ঢুকে যেতে। কেবল নেটওয়ার্ক যারা পরিচালনা করেন, তাদের সাথে সম্পর্কের আলোকে বা অন্য কোনো বিষয়ের আলোকে সিরিয়াল নির্ধারিত হতো। এখন সেখানে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।


বিবার্তা/রবি

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

ময়মনসিংহ রোড, শাহবাগ, ঢাকা-১০০০

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: bbartanews24@gmail.com ​, info@bbarta24.net

© 2016 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com