আমাদের উদ্ভাবনের মূল্য নেই বললেই চলে : ড. হাসান জামিল
প্রকাশ : ১৪ জুলাই ২০১৮, ১৭:১৪
আমাদের উদ্ভাবনের মূল্য নেই বললেই চলে : ড. হাসান জামিল
উজ্জ্বল এ গমেজ
প্রিন্ট অ-অ+

যে ক'জন মানুষের হাত ধরে বাংলাদেশে কম্পিউটারবিজ্ঞান শিক্ষার যাত্রা শুরু হয়েছে কম্পিউটার বিজ্ঞানী ড. হাসান জামিল তাদের একজন। ১৯৮২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাপ্লায়েড ফিজিক্স অ্যান্ড ইলেকট্রনিকস থেকে স্নাতক এবং ১৯৮৪ সালে স্নাতকোত্তর সম্পন্নের পর কমনওয়েলথ স্কলারশীপ নিয়ে যোগ দেন কানাডার কনকর্ডিয়া ইউনিভার্সিটির গবেষণায়। ১৯৯৬ সালে তিনি কানাডার কনকরডিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।


ড. হাসান জামিল বৈজ্ঞানিক ডাটা ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞ, ইন্টেলিজেন্ট ডাটাবেজ সিস্টেমস রিসার্চ গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা। ছিলেন অস্ট্রেলিয়ার ম্যাকুয়েরি ইউনিভার্সিটি, যুক্তরাষ্ট্রের মিসিসিপি স্টেট ইউনিভার্সিটি ও ওয়েন স্টেট ইউনিভার্সিটিতে। বতর্মানে তিনি ইউনিভার্সিটি অব আইডাহোয় কম্পিউটার বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।


সম্প্রতি এসেছিলেন দেশে। রাজধানীর কমলাপুরের নিজ বাসভবনে কথা বলেন বিবার্তার সঙ্গে। একান্ত আলাপচারিতায় দেশের কম্পিউটারশিক্ষা ব্যবস্থা, সফটওয়্যার সেক্টরসহ নানান দিক নিয়ে কথা বলেন তিনি। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন উজ্জ্বল এ গমেজ।


বিবার্তা : বতর্মানে আপনি যুক্তরাষ্ট্রের আইডাহো বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের উদ্ভাবনমূলক কাজ বিষয়ে কিছু বলুন।


ড. হাসান জামিল : প্রযুক্তিতে মৌলিক উদ্ভাবনমূলক কাজে অনেক এগিয়ে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। নতুন নতুন উদ্ভাবন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় শক্তি। তারা নিজেদের উদ্ভাবন দিয়ে এখনও বিশ্বের প্রযুক্তি খাতে আধিপত্য বজায় রেখে চলেছে।


যুক্তরাষ্ট্রে একটা কথা প্রচলিত আছে, আপনি প্রযুক্তি টাকা দিয়ে কিনতে পারবেন; কিন্তু ব্যবস্থাপনা ও সার্ভিস টাকা দিয়ে কেনা সম্ভব নয়। এটি দীর্ঘ চর্চার মাধ্যমে কোনো জাতির মধ্যে আসে। যুক্তরাষ্ট্র যেটি করতে পেরেছে তা হলো, তারা কিছু বিধিবদ্ধ কাঠামো দাঁড় করাতে পেরেছে। আর তাদের সবচেয়ে বড় শক্তি গবেষণালব্ধ উদ্ভাবনী ক্ষমতা। যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো গবেষণায় অনেক টাকা খরচ করে। অন্যরা সেটা করছে না। এমনকি চীনের হাতে অঢেল টাকা থাকা সত্ত্বেও কিন্তু উপযুক্ত নির্দেশনার বা ঐতিহ্যের অভাবে তারাও ততটা যথাযথ গবেষণা কার্যক্রম চালাতে পারছে না। ফলে উদ্ভাবনে তারা এখনো পিছিয়ে রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে কোনো গবেষকের গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশ হলে শিল্পোদ্যোক্তারা সেটা দেখেন। সেখান থেকে তারা নতুন কিছু নেয়ার চেষ্টা করেন। এটা একটা চক্র. জনগণ ট্যাক্স দেয়, সরকার ট্যাক্সের টাকা দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে গবেষণা করতে সাহায্য করে। গবেষক ও অধ্যাপকরা গবেষণা না করলে বা ভাল না করলে পেশাগত উন্নতি করতে পারে না। তাই গবেষণালব্ধ ফলাফল তারা প্রকাশ করে। আর সেটা ইন্ডাস্ট্রি বিনা খরচে পায় এবং ব্যবহার করে নতুন নতুন প্রোডাক্ট তৈরি করে দেশের আয় বাড়ায়। তাতে ট্যাক্স বৃদ্ধি পায়। আর চক্রটা আরো বড় আকার ধারণ করে। বাংলাদেশে কিন্তু এই কালচার এখনো তৈরি হয়নি। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এই পরিবেশ যখন তৈরি হবে তখন আমরাও অনেক এগিয়ে যাবো।



বিবার্তা : বাংলাদেশে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উদ্ভাবনকে কীভাবে মূল্যায়ন করবেন?


ড. হাসান জামিল : আমাদের দেশে অনেক মেধাবী তরুণ-তরুণী রয়েছে, কিন্তু তাদেরকে সঠিকভাবে প্রশিক্ষণ বা দিকনির্দেশনা দেয়া হচ্ছে না। তাই যে কোনো কিছু করাকে আমরা উদ্ভাবন ভাবছি। অনেক ক্ষেত্রেই এটা হচ্ছে ‘রি-ইনভেনটিং দ্য হুইল’। কোনো কোনো ক্ষেত্রে আবার সেটা হচ্ছে কপি করা। আমাদের নকল করার প্রবণতা (প্লেজারিজম) অনেক বেশি। এ সমস্যা কেবল বাংলাদেশিদের মধ্যে নয়, চীনা ও ভারতীয়দের মধ্যেও লক্ষ্য করা যায়। তবে আমাদের এখানে এটা বিরাট আকার ধারণ করেছে। তাই উন্নত দেশগুলোর সফটওয়্যার কম্পানিগুলো বাংলাদেশে সফটওয়্যার তৈরি করতে দ্বিধা করবে। কারণ তারা ইনটালেকটুয়াল প্রোপার্টি প্রোটেক্ট করতে চাইবে এবং অন্যের আইপি রাইটস ভায়োলেট করতে চাইবে না। বিভিন্ন কারণে বাংলাদেশ এই গ্যারান্টি দিতে পারে না।


অন্যের কোনো কাজ নিজের নামে চালিয়ে দেয়া কিংবা অনুমতি না নিয়ে কপি করার অপসংস্কৃতি এখানে সফটওয়্যার ইন্ডাস্ট্রি বিকাশে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। আবার সফটওয়্যার তৈরি করে কমপিটিটরের কাছে বিক্রি করে দেবার ভয়ও আছে, যা এই নকল করা বা মরাল উইকনেসের একটা অঙ্গ। সমষ্টিগতভাবে আমরা এই কালচারে দুর্বল এবং উদ্ভাবনেও দুর্বল। আর উদ্ভাবনের মূল্য তো আমাদের নেই বললেই চলে। অথচ আমাদের পর্যাপ্ত রিসোর্স আছে। এ খাতে এখনও পর্যাপ্ত বিনিয়োগ হয় না। এক্ষেত্রে চীনারা এখন এগিয়ে যাচ্ছে। তারা তাদের দক্ষ মানবশক্তি ও মেধাকে মূল্যায়ন করছে এবং তাদের জন্য বিনিয়োগ করছে। আমাদের পাশের দেশ ভারতও তা-ই করছে, যার ফল আমরা চোখের সামনেই দেখতে পাচ্ছি। প্রযুক্তি খাতে ভারত বর্তমানে দ্রুত বর্ধনশীল দেশগুলোর একটি।


অবশ্য এসব দুর্বলতার মধ্যেও যে কাজ হচ্ছে না বা উন্নতি হচ্ছে না তা নয়। অনেকে সফটওয়্যার ফার্মে আউটসোর্সিংয়ের কাজ করছে এবং ভাল করছে। কিন্তু পরিমাণটা অনেক কম, যা আরো অনেক বেশি হতে পারতো। মনে রাখতে হবে যে আউটসোর্সিং করে আমাদের ছেলে-মেয়েরা যে অর্থ বাইরে থেকে আনছে, সেটা বৈশ্বিক সফটওয়্যার বাজারের তুলনায় খুবই অল্প। এত অল্প কিছু নিয়ে এত বড় সন্তুষ্টির কোনো কারণ দেখি না।



বিবার্তা : আমাদের কম্পিউটারবিজ্ঞানের ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে কপি করার প্রবণতা এতো বেশি কেন?


ড. হাসান জামিল : আমার দৃষ্টিতে আমাদের দেশের শিক্ষার্থীরা অনেক মেধাবী। কিন্তু বিভিন্ন পারিপার্শ্বিক পরিবেশের কারণে আমরা তাদের মেধাটাকে নষ্ট করে দেই। প্রয়োজনীয় গাইডেন্সের অভাবে তারা অনেক কিছু শেখে না। বিশ্বাবদ্যালয়গুলোর অধ্যাপকরা তেমন কিছু করেন না, প্রকাশ করেন না। কারণ এসব তাদের পেশাগত উৎকর্ষের জন্য প্রয়োজন নাই।


যেটা বলছিলাম, এখানে শিক্ষা গবেষণা, শিল্প গবেষণা, ইনভেস্টমেন্টের চক্রটা নাই। আমি দেখি এখানে বেশিরভাগ গবেষক তাদের পাবলিকেশন বের করেন নিম্ন মানের কনফারেন্স বা জার্নালে, তা কোনোদিন ভালো কো্নো ভেন্যুতে পাবলিশ হবে না। কারণ মানের প্রশ্ন তো আছেই, কপি পেস্ট করে কিনা তাও একটা বিরাট প্রশ্ন। আর সে ধরণের পাবলিকেশন যেহেতু ছোটদের নিয়ে করা হচ্ছে, তারা শিখছে যে এই কাজটা দোষের কিছু নেই। এই অভ্যাসটা তাদের প্রফেশনাল লাইফে প্রভাব ফেলছে। এভাবে তাদের মেধা তারা কাজে লাগানোর পরিবর্তে নষ্ট করে ফেলছে। কীভাবে ফাঁকি দিতে হয়, কীভাবে ক্লাস না করেও পরীক্ষায় বেশি মার্ক পাওয়া যায়, কতটা সহজ উপায়ে পাস করা যায় ইত্যাদি রপ্ত করতে গিয়ে নিজেদের মৌলিক মেধাটাকে আর কাজে লাগায় না। অথচ তারা প্রত্যেকে মেধাবী। কিন্তু সবকিছুতে শর্টকাট পথ খোঁজে। তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বুয়েটের অবস্থা বেশ ভালো। আইটি ডেভেলপমেন্টের দিক থেকে এরা বেশ এগিয়ে। বিষয়টা এ জন্য হয়েছে যে, সেখানে কালচারটা এভাবেই একটু গড়ে উঠছে।


শিক্ষক বা গবেষক হিসেবে আমাদের অনেকেরই তেমন উৎসাহ নেই, নেই তেমন কোনো দূরদৃষ্টি। আমরা দিন দিন এমন একটা জাতিতে পরিণত হচ্ছি, যাদের আইটি ও গবেষণা নিয়ে কোনো দূরদর্শী চিন্তা নেই। নেই কোনো ‘ন্যাশনাল ভিশন’। বিনিয়োগের জন্য পর্যাপ্ত অবকাঠামো নেই। সর্বোপরি মেধাস্বত্ব ধরে রাখার কোনো প্রক্রিয়া নেই। সবকিছুর পরও আমি বলবো, আমাদের সবারই উচিত ছাত্রছাত্রীদের মেধাকে যথাযথ ব্যবহার করা। বিশেষ করে আমাদের শিক্ষকদের একটু বেশি যত্নবান হতে হবে। কারণ তাদের ওপর পুরো ভবিষ্যৎ ও জাতিগঠনের বিষয়টা নির্ভর করে। এক্ষেত্রে শিক্ষার্থী যারা আছে, তাদেরও উচিত হবে সময়কে হেলাফেলা না করে যথোপযুক্তভাবে ব্যবহার করা। তাহলে একদিন সবকিছুই বদলে যাবে।


বিবার্তা : সফটওয়্যার সেক্টর বিকাশে বাধাগুলো কিকি?


ড. হাসান জামিল : আমাদের দেশে সফটওয়্যার তৈরি কিংবা এর গোপনীয়তার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো নীতিমালা এখনও হয়নি। আপনি মেধাস্বত্ব আইন, প্রাইভেসি আইন এ বিষয়গুলো সম্পর্কে জানবেন না, আবার সফটওয়্যার রফতানি থেকে আয়ের কথা ভাবছেন। তাহলে তো আর বৈদেশিক মুদ্রা আয় করা সম্ভব না। এসব বিষয়ের দ্রুত পরিবর্তন ছাড়া প্রযুক্তি খাতে উন্নয়ন সম্ভব নয়।


এখনও আ্মাদের দেশে সফটওয়্যার কপিরাইট এবং ইনটালেক্টচুয়াল প্রোপার্টি রাইট আইন কার্যকর হয়নি। এ সুযোগে একজনের তৈরি সফটওয়্যার অন্যজন নিজের নামে চালিয়ে দিচ্ছে। অবাক করা ব্যাপার হচ্ছে, এ নিয়ে কারও কোনো মাথাব্যথাও দেখি না। আমাদের যোগ্য ও মেধাবী ডেভেলপার থাকা সত্ত্বেও কেন বিদেশি কম্পানিগুলো বড় কোনো কাজ দিতে চায় না? এর প্রধান কারণ, বিশ্বাসের অভাব। ফলে আমরা ছোট ছোট অল্প কিছু কাজ পাচ্ছি। যেগুলোতে ঝুঁকি কম, পয়সাও কম।



বিবার্তা : আমাদের আইটি স্কলাররা দেশে থাকছে না কেন?


ড. হাসান জামিল : আশার কথা হচ্ছে বাংলাদেশের ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে কম্পিউটারবিজ্ঞান সম্পর্কে আগ্রহ বেড়েছে। কিন্তু দেশে এখনও আমরা সেই বাজার তৈরি করতে পারিনি। আমরা আইটি স্কলার তৈরি করছি; কিন্তু তাদের যথাযথ কাজের ক্ষেত্রে পৌঁছে দিতে পারিনি। ফলে স্বপ্ন নিয়ে কম্পিউটারবিজ্ঞান পড়া ছেলেটি যখন দেশে ভালো কোনো মূল্যায়ন পাচ্ছে না তখন তাকে বাধ্য হয়েই বিদেশে যেতে হচ্ছে। অন্যদিকে ভালো ছাত্ররা দেশের বাইরে চলে যাচ্ছে স্কলারশিপের সুযোগ নিয়ে। আর যারা মধ্যম পর্যায়ের জ্ঞানসম্পন্ন, তারা কী করবে? তাদের তো এখানেই সুযোগ দেয়া উচিত। তা না হলে এই মেধা ধীরে ধীরে নষ্ট হবে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে তা-ই হয়েছে। তবে আমাদের দেশে কম্পিউটারবিজ্ঞান এখন অনেক এগিয়ে গেছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আমাদের স্কলাররা কাজ করছে। এখন সময় এসেছে দেশের অভ্যন্তরীণ আইটি কর্মসংস্থানের পরিবেশ তৈরি করার, মানসম্পন্ন আইটি ইন্ডাস্ট্রি গড়ে তোলার।


বিবার্তা : বিশ্বমানের আইটি মানবসম্পদ গঠনে আপনার পরামর্শ কী?


ড. হাসান জামিল : বাংলাদেশে অনেক মেধাবী ছেলেমেয়ে রয়েছে, কিন্তু যথেষ্ট ভালো শিক্ষক নেই, অবকাঠামোয় দুর্দশা বিরাজ করছে, শিক্ষার্থীরা ঠিকমতো উপকরণ পান না। তবু এখান থেকে বিদেশে যে শিক্ষার্থীরা যাচ্ছেন, তাদের মান ভারত, চীন বা ইউরোপের অনেক দেশের সঙ্গে তুল্য। আমি বলব, এ কথা কম্পিউটারবিজ্ঞানের বেলায় বিশেষভাবে প্রযোজ্য।


এ মেধাবীদের ব্যবহারের জন্য সঠিক পরিকল্পনা দরকার। সেজন্য সঠিক ব্যক্তিকে উপযুক্ত স্থানে বসাতে হবে। ক্ষমতা খাটিয়ে স্বজন-পরিজনকে যোগ্যতার চেয়ে কয়েক গুণ বড় পদে বসালে তা হবে না। যোগ্যরা এমনিতেই কাড়াকাড়ি থেকে দূরে থাকতে চান। প্রভাবশালীদের তোয়াজ করে সুবিধা বাগানোর চিন্তা এদের ধাতে থাকে না। দায়িত্বপূর্ণ পদে এদের বসাতে হবে।


বিবার্তা : নতুন প্রজন্মের প্রতি আপনার মেসেজ কী?


ড. হাসান জামিল : বাংলাদেশে প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ পদে আছেন প্রবীণরা। আইসিটি খাতে তাদের পক্ষে বিশেষ অসুবিধা হলো, ব্যবসাটি দ্রুত পরিবর্তনশীল। এটা ফলো করতে তারা সক্ষম নন। আমি বিশ্বাস করি, তরুণরা বয়স্কদের চেয়ে বেশি জানে; ব্যবসার ধারা-প্রবণতা সহজে ধরতে পারে। এমনকি আমার বয়সী মানুষ, তাদেরও দৃষ্টি থাকে প্রতিষ্ঠিত বিষয়গুলোর দিকে। এদের পক্ষে স্থানীয় আইসিটি খাতকে বেশি দূর এগিয়ে নেয়া সম্ভব নয়। এ খাতে নেতৃত্ব দিতে হবে তরুণ প্রজন্মকে। তারা হয়তো ভুল-ত্রুটি বেশি করবে। তবে দ্রুত সেগুলো শুধরেও নেবে। বৈশ্বিক বাজারের গতিপ্রকৃতির সঙ্গে সঙ্গতি রেখে উদ্যোগ নেয়ার জন্য তাদেরই সামনে আনা দরকার।


বিবার্তা/উজ্জ্বল/হুমায়ুন/মৌসুমী

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

৪৬, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ

কারওয়ান বাজার (৬ষ্ঠ তলা), ঢাকা-১২১৫

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: bbartanational@gmail.com, info@bbarta24.net

© 2016 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com