সিম্ফনি বিশ্বাস করে কোয়ালিটিতে: এম এ হানিফ
প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি ২০২০, ১৭:২৮
সিম্ফনি বিশ্বাস করে কোয়ালিটিতে: এম এ হানিফ
উজ্জ্বল এ গমেজ
প্রিন্ট অ-অ+

যাত্রার শুরু থেকেই দেশের মোবাইল ফোনের বাজারে জনপ্রিয় নাম সিম্ফনি। কোম্পানিটির লক্ষ্য হচ্ছে সারাদেশের গ্রাহকদের হাতে স্বল্পমূলে সর্বোচ্চ গুণগত মানসম্পন্ন হ্যান্ডসেট তুলে দেয়া। সিম্ফনি বিশ্বাস করে কোয়ালিটিতে। কোম্পানিটি দীর্ঘস্থায়ী পরিকল্পনা নিয়ে ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছে। কাস্টমারদের চাহিদা, কেনার সামর্থ্য অনুসারে ফোন বাজারে ছাড়ছে। তবে এখন কাস্টমারদের বায়িং ক্যাপাসিটি বাড়ছে। আগে যে কাস্টমার ৪ হাজার টাকায় একটা সেট কিনতেন, তিনি এখন কিনছেন ৬ হাজার টাকায়। যিনি ৫ হাজার টাকার সেট কিনতেন তিনি কিনছেন ৮ হাজার টাকার সেট।


সম্প্রতি সিম্ফনি মোবাইলের হেড অফিস র‌্যাংগস ব্যাবিলনিয়াতে বিবার্তার সাথে একান্ত আলাপে এসব কথা বলেন প্রতিষ্ঠানটির মোবাইল সেলসের অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর এম এ হানিফ।


দেশীয় ব্র্যান্ড হিসেবে বাজারে সিম্ফনির বর্তমান অবস্থান, দেশের মোবাইল ফোন বাজারের অবস্থা, সিম্ফনি মোবাইল কারখানার হালচাল এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বিবার্তার সঙ্গে দীর্ঘ আলাপের কিছু অংশ এখানে তুলে ধরা হলো।



সিম্ফনির রিটেলারদের উদ্দেশে কথা বলছেন এম এ হানিফ


বিবার্তা : সিম্ফনির শুরুটা কীভাবে?


এম এ হানিফ : ২০০৫ সালের দিকে হ্যান্ডসেট বাজারে চীনা ব্র্যান্ড বিশেষ করে সিমেন্স আধিপত্য বিস্তার করছিল। তখন নকিয়া ফিচার ফোনে চারদিক জয়জয়কার ছিল। দুই বছর ভাল চলার পরে বাজারে অবস্থা দুর্বল হওয়া শুরু হয়। ২০০৮ সালে কয়েকজন উদ্যোক্তার হাত ধরে সিম্ফনি মোবাইল ফোন দেশের বাজারে আসে। শুরু থেকেই কোম্পানিটি গ্রাহকদের ইউজার এক্সপিরিয়েন্স, স্বল্পমূল্যে যাতে প্রত্যন্ত অঞ্চলের গ্রাহকরা ডিভাইসটা কিনতে পারে এ বিষয়টাতে নজর দিয়ে আসছে। তাই সারাদেশে স্বল্পমূল্যে ফিচার ও মাল্টিমিডিয়া ফোন পৌঁছে দেয়ার পেছনে সিম্ফনির অবদান অনেক বেশি। ২০১২ সালের শেষের দিকে কোম্পানিটি প্রথম অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম যুক্ত মোবাইল বাজারে ছাড়ে। সময়ের ধারাবাহিকতায় কর্মী ও পরিবেশক সবার চেষ্টা ও একাগ্রতার কারণে সিম্ফনি আজ দেশীয় ব্র্যান্ড হিসেবে বাজারে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে।


বিবার্তা: বাজারে আপনাদের অবস্থান কী?


এম এ হানিফ : বাজারে শুরু থেকেই অনেক বড় ব্যবধানে আমরা দীর্ঘ দিন এক নম্বর অবস্থানে আছি। বর্তমানে বাজারে ৯ থেকে সাড়ে ৯ কোটি হ্যান্ডসেট চালু আছে। আমাদের একটা জরিপে দেখা গেছে এর মধ্যে ৫০% মানুষের হাতে আছে সিম্ফনির হ্যান্ডসেট। বাজারে এ অবস্থানটা আমাদের জন্য বড় অর্জন। আমরা চাই কমপক্ষে এক তৃতীয়াংশ মার্কেট ধরে রাখতে। গত বছরের ফাইনাল ডাটাটা হাতে আসেনি। তবে ২০১৮ সালে ৩ কোটি ২০ লাখের মতো হ্যান্ডসেট আমদানি হয়েছে। তার মধ্যে সিম্ফনির ছিল এক কোটির মতো। ডিসেম্বর মাসে সিম্ফনির বিক্রি হয়েছে সাড়ে ৬ থেকে ৭ লাখের মতো। সে জায়গায় দ্বিতীয় কোনো ব্র্যান্ড ৪ লাখের বেশি বিক্রি করতে পারেনি। নভেম্বর মাসেও সিম্ফনি বিক্রি করেছিল ৮.৫ লাখের মতো দ্বিতীয় কোনো ব্র্যান্ড ৪ লাখ বিক্রি করেনি।


বিবার্তা : দেশের মোবাইল মার্কেটের বর্তমান অবস্থা কেমন?


এম এ হানিফ : বর্তমানে দেশের মোবাইল ফোন মার্কেট প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার মতো। ১০ হাজার কোটি টাকার নিচের মার্কেটটা প্রায় সাড়ে ৪ থেকে ৫ হাজার কোটি টাকার। এ জায়গায়টায় আমরা আনবিটেবল অবস্থায় নেতৃত্ব দিতে চাই। আমাদের লক্ষ্য হলো দ্বিতীয় প্রতিযোগী কোম্পানি যাতে ৫০% এর নিচে থাকে। বাজারে অন্য সাধারণ ব্র্যান্ড থেকে কাস্টমারের সিম্ফনি ব্র্যান্ডের ইমেজ, মার্কেট রেপুটেশনের প্রতি বিশ্বাস তৈরি হয়েছে, আমরা সেটাকে ধরে রাখতে চাই। এর জন্য প্রত্যেকটা হ্যান্ডসেটের কোয়ালিটি ঠিক রেখে সাধ্যের মধ্যে স্বল্পমূল্যে কাস্টমারদের হাতে ভাল মানের অত্যাধুনিক ফোন তুলে দেয়ার চেষ্টা করছি।


প্রতি বছরে গড়ে ফিচার ফোনের মার্কেট সাইজটা থাকে সোয়া দুই কোটি। আর স্মার্টফোন ৫০ থেকে ৮০ লাখের মতো। বছর বছর এটা কীভাবে বাড়ে আর কমে সেটা আরেকটু পরিষ্কার করে বলছি। ২০১২ সালের পর থেকে স্মার্টফোনের বাজারটা বাড়তে থাকে। ২০১২ সালে স্মার্টফোনের মার্কেট সাইজটা ছিল ১ লাখ ৬৫ হাজার। ২০১৩ সালে থ্রিজি মোবাইল নেটওয়ার্ক চালু হলে মার্কেট সাইজটা হয়ে যায় ১৬ লাখ। ২০১৪ সালে সেটা গিয়ে দাঁড়ায় ৪২ লাখে। ২০১৫ সালে ৫৬ লাখে, ২০১৬ সালে ৮০ লাখ, ২০১৭ সালে ৮২ লাখ এবং ২০১৮ সালে কমে সেটা হয়ে যায় ৭০ লাখে। স্মার্টফোনের মার্কেট সাইজটা বাড়তে বাড়তে যেমন কমে গেছে, ফিচার ফোনের মার্কেট কিন্তু কমেনি। তবে সারাবিশ্বের মধ্যে মার্কেট সাইজ ৮০% স্মার্টফোন আর ২০% ফিচার ফোন। এখন দেশের বাজারে ২৮-৩০% স্মার্টফোন আর ৭০% ফিচার ফোন। ২০১৬ সালের পর থেকে প্রতি বছর ২ কোটি ৩০, ৭০, ৪৬, ৩৫ করে ফিচার ফোন বিক্রি হয়। আর ২০১৮ সালে স্মার্টফোন বিক্রি হয় প্রায় ৭০ লাখ আর ২০১৯ সালেও ৭০ লাখের মতো।


বিবার্তা : সিম্ফনির বিশেষত্ব কী?


এম এ হানিফ : সিম্ফনির বিশেষত্ব হলো বাজারের সেরা দামে মানসম্পন্ন পণ্য ও শক্তিশালী বিক্রয়-পরবর্তী সেবা (আফটার সেলস সার্ভিস)। ব্যবসায় লাভের জন্য যে গ্রাহকদের কমমূল্যে উচ্চ কনফিগারেশনের কিন্তু নিম্ন মানের হ্যান্ডসেট তুলে দেব, বিষয়টা তা না। যত স্বল্পমূল্যে সম্ভব গ্রাহককে সবচেয়ে ভালটা দেয়াই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। কেউ সিম্ফনি মোবাইল একবার ব্যবহার করে আবার ফোন কিনতে গেলে যেন সিম্ফনিইকেই খুঁজেন। এর জন্য ফোনের কোয়ালিটিতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হয়। ফোন ব্যবহার করতে গিয়ে যে কোনো সমস্যায় পড়লে গ্রাহক যাতে হাতের নাগলে সার্ভিসিং করতে পারেন এর জন্য সারাদেশে সিম্ফনির সার্ভিস সেন্টার রয়েছে। ব্যবহারের ধরন ও আবহাওয়ার ওপর একটা মুঠোফোনের দীর্ঘস্থায়িত্ব নির্ভর করে।আপনি যতই মানসম্পন্ন পণ্য গ্রাহককে দেন না কেন, এসব কারণে একটা ফোন নষ্ট হতেই পারে। সেটি কত দ্রুত ও নির্ভরযোগ্যতার সঙ্গে সমাধান করতে পারি, সেটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এসব বিষয়ে আমরা সব সময় বিশেষ নজর দিয়ে থাকি।



লালমনিরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য মোতাহার হোসেনের কাছ থেকে ক্রেস্ট গ্রহণ করছেন এম এ হানিফ


বিবার্তা : দেশে স্মার্টফোনের বাজারের ভবিষ্যৎটা কেমন দেখছেন?


এম এ হানিফ : স্মার্টফোনের ব্যবহার ও চাহিদা বাড়তে শুরু করে মূলত থ্রিজি প্রযুক্তি চালু হওয়ার পর। সারাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে এখনো বেশির ভাগ ফিচার ফোনের ব্যবহারই বেশি। সে দিক থেকে স্মার্টফোনের বিশাল একটি বাজার এখানে আছে। ভারতসহ পাশের দেশগুলোতে এখন বেশির ভাগ স্মার্টফোন। আমাদের দেশে এখন ৭০ শতাংশ ফিচার ফোন, আর ৩০ শতাংশ স্মার্টফোন।তবে দেশের মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষের হাতে একটা স্মার্টফোন থাকলেও সবাই এখন একটা করে ফিচার ফোন ব্যবহার করতে দেখা যায়। মানুষের পছন্দ, রুচি বদলাচ্ছে। তথ্যপ্রযুক্তির যুগে মানুষ এখন অফিসিয়াল প্রয়োজনীয় অনেক কাজই একটা ভাল মানের স্মার্টফোন দিয়েই করে নিচ্ছেন। মানুষের জীবনের অপরিহার্য অংশে পরিণত হয়ে যাবে এই স্মার্টফোন।তাই সময়ের বদলের সাথে সাথে বাজার আরো বড় হবে।


বিবার্তা : দেশে বাজারে কয়েকটি ব্র্যান্ড তাদের কার্যক্রম শুরু করেও টিকতে পারেনি। এর কারণ কী?


এম এ হানিফ : এ বিষয়ে আমি বলবো সিম্ফনির শক্তির জায়গাটা হলো প্রতিষ্ঠানটিতে যারা ব্যবস্থাপনায় আছেন সবাই মোবাইল ব্যবসাটা ভালো করে বোঝেন। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একটি মোবাইলের মান কীভাবে ঠিক রাখতে হবে, সেটা সবার জানা আছে। এ খাতে এখনো দক্ষ লোকের অভাব রয়েছে। আরেকটা বড় বিষয় হলো এই ব্যবসায় প্রযুক্তি সব সময়ই পরিবর্তন হয়। এ পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে ব্যবসা করা খুবই কঠিন। কোন পণ্যটি কখন, কোন দামে বাজারে নিয়ে আসতে হবে, কত দিনের মধ্যে বাজারে আরেকটি মডেলের সেট আনতে হবে এসব বিষয়গুলো বোঝা সে অনুসারে কাজ করাটা একটু কঠিন। এছাড়াও সিম্ফনি সবসময় গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী সর্বোচ্চ সেবার মান নিশ্চিত করে আসছে এবং ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।


বিবার্তা : সিম্ফনির কারখানায় মাসে কি পরিমাণ ফোন তৈরি করছে?


এম এ হানিফ : ২০১৮ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর সাভারের আশুলিয়া জিরাবোতে সিম্ফনির প্রথম কারখানাটি চালু করা হয়। কারখানাটি স্থাপন করে এডিসন গ্রুপ। সেখানে বর্তমানে প্রায় ৯৮০ জন কর্মচারী রয়েছেন। চলতি বছরের মাঝামাঝিতে স্থাপন করা হবে সিম্ফনি মোবাইল ফোনের দ্বিতীয় কারখানা। দুটা মিলে কর্মচারীর সংখ্যা হবে প্রায় ২ হাজারের মতো। তৃতীয় কারখানার কাজও চলছে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু হাইটেক পার্কে ৫ দশমিক ১৬ একর জমিতে, যা আগামী বছরে পুরোদমে চালু করা হবে। কারখানায় প্রতি মাসে স্মার্টফোন তৈরি করা হয় দেড় লাখ আর ফিচার ফোন এক লাখের মতো। দ্বিতীয় কারখানায় প্রতি মাসে ফোন তৈরি করবে ৭-৮ লাখের মতো। তৃতীয় কারখানা শুরু করলে প্রতি মাসে তৈরি করা যাবে ১২-১৫ লাখের মতো। দেশের মার্কেটে প্রতি মাসে হ্যান্ডসেট বিক্রি হয় ২৫-৩০ লাখ। আমাদের টার্গেট হচ্ছে সিম্ফনি যাতে এই ৩০ লাখের মধ্যে ১৫ লাখ লিড দিতে পারে।


বিবার্তা :বাজারে সিম্ফনির কোন ফোনগুলোর চাহিদা খুব বেশি? কেন?


এম এ হানিফ : সিম্ফনি বিশ্বাস করে কোয়ালিটিতে। কোম্পানিটি দীর্ঘস্থায়ী পরিকল্পনা নিয়ে ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছে। কাস্টমারদের চাহিদা, কেনার সামর্থ অনুসারে ফোন বাজারে ছাড়ছে। তবে এখন কাস্টমারদের বায়িং ক্যাপাসিটি বাড়ছে। আগে যে কাস্টমার ৪ হাজার টাকায় একটা সেট কিনতেন তিনি এখন কিনছেন ৬ হাজার টাকার। যিনি ৫ হাজার টাকার সেট কিনতেন তিনি কিনছেন ৮ হাজার টাকার সেট। বিষয়টা বুঝেই সিম্ফনি সে অনুসারে সেটগুলো বাজারে ছাড়ছে। সিম্ফনির ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকার মধ্যে হ্যান্ডসেটগুলো মার্কেটে বেশি চাহিদা রয়েছে।



এম এ হানিফ - এর সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন বিবার্তার স্টাফ রিপোর্টার


বিবার্তা : সরকার ৫জি চালু করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এ বিষয়ে আপনারা কোনো কাজ করছেন কিনা?


এম এ হানিফ : আমাদের হ্যান্ডসেটগুলো ৪জি মোবাইল নেটওয়ার্কের উপযোগী করে তৈরি করা হয়। এখন সরকার ৫জি আনার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এর জন্য আমরা মোবাইল ফোনে উন্নত প্রযুক্তির ক্যামেরা, প্রসেসর, র‌্যাম ও এডভান্সড কিছু মোবাইল অ্যাপ নিয়ে কাজ করছি, যাতে করে যখন ৫জি চালু করা হবে তখন আমরা সময়ের সাথে তাল মিলাতে পারি।


বিবার্তা : সিম্ফনির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী?


এম এ হানিফ : প্রথম থেকেই আমাদের লক্ষ্য ছিল সাশ্রয়ী মূল্যে সর্বোচ্চ মানের একটি পণ্য গ্রাহকের হাতে তুলে দেয়া। শুরু থেকে আজ পর্যন্ত এই লক্ষ্য নিয়েই আমরা ব্যবসা করছি, ভবিষ্যতেও সেটি অব্যাহত থাকবে। আমরা যেকোনো নতুন প্রযুক্তির মুঠোফোন বাজারে সবার আগে ও সাশ্রয়ী দামে গ্রাহকের হাতে তুলে দিতে চাই। হ্যান্ডসেটের মান ও কাস্টমার কেয়ারের সমন্বয় সব সময় ধরে রাখতে চাই। গ্রাহকের হ্যান্ডসেট-সম্পর্কিত যেকোনো অভিযোগ ও সমস্যা দ্রুততম সময়ে সমাধান করতে চাই। দেশীয় ব্র্যান্ড হিসেবে ব্যবহারকারীরা সিম্ফনিকে নিয়ে যে গর্বটা করে, সেটি যাতে সব সময় করতে পারে, সেটিও অব্যাহত রাখতে চাই।


বিবার্তা/উজ্জ্বল/জাই


সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

ময়মনসিংহ রোড, শাহবাগ, ঢাকা-১০০০

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: bbartanews24@gmail.com ​, info@bbarta24.net

© 2016 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com