বাংলাদেশ সীমান্তে আরো কঠোরতা ভারতের
প্রকাশ : ০৭ ডিসেম্বর ২০১৭, ২২:১৫
বাংলাদেশ সীমান্তে আরো কঠোরতা ভারতের
কলকাতা প্রতিনিধি
প্রিন্ট অ-অ+

বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী অরক্ষিত সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশ, পাচার ও নাশকতা রোধে ‘টেকনোলজিক্যাল সলিউশন’ প্রয়োগ করা হবে বলে জানিয়েছেন ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং। বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে কলকাতায় এক বৈঠকের এই কথা জানান তিনি।


তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে দীর্ঘ ৪০৯৬ কিলোমিটার আন্তর্জাতিক সীমানা রয়েছে বাংলাদেশের। এর মধ্যে ৩০০৬ কিলোমিটার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া রয়েছে। বাকী ১০৯০ কিলোমিটার সীমান্ত অরক্ষিত রয়েছে। সেখানে টেকনোলজিক্যাল সলিউশন প্রয়োগ করা হবে। ডে-লাইট ক্যামেরা, সেন্সর, র‌্যাডার, লেসার’এর সহায়তার মাধ্যমে নজরদারি চালানো হবে।


ভারতীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরো জানান সীমান্ত আর ও সুরক্ষিত রাখতে ফিসিক্যাল ও নন-ফিসিক্যাল বেরিয়ারের পাশাপাশি সীমান্তে ‘বর্ডার প্রোটেকশন গ্রিড’ ধারণা চালু করার চিন্তা ভাবনা নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন ‘ফিজিক্যাল ও নন-ফিজিক্যাল বেরিয়ার ছাড়াও এই গ্রিডের অধীনে সীমান্তে নজরদারি চালু রাখতে সারভেলেন্স সিস্টেম, ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি, রাজ্য পুলিশ, বিএসএফ, রাজ্য ও কেন্দ্রের কিছু নিরাপত্তা এজেন্সি থাকবে।


পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের সচিবালয় নবান্ন’এদিন বিকাল তিনটায় শুরু হয় বৈঠক, তা চলে প্রায় দুই ঘন্টা ধরে। বৈঠকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কিরেন রিজিজু, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি, অসমের মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সনোয়াল, মিজোরামের মুখ্যমন্ত্রী লাল থান হাওলা এবং মেঘালয় ও ত্রিপুরা রাজ্য সরকারের শীর্ষ সরকারী কর্মকর্তারা, ছিলেন বিএসএফ সহ নিরাপত্তা এজেন্সিগুলির কর্মকর্তারাও।


ওই বৈঠকে রাজনাথ জানান ‘বাংলাদেশের সাথে আমাদের সম্পর্ক খুবই ভালো। কিন্তু নিরাপত্তা ব্যবস্থা যেহেতু খুবই শক্তিশালী হওয়া প্রয়োজন সেক্ষেত্রে পুরো সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া না থাকার কারণে কিছু সমস্যা রয়ে গেছে। আমি মনে করি যে কোন ঘটনার মোকাবিলা করার জন্য তৈরি থাকা উচিত।


তিনি আরো জানান, সন্ত্রাসবাদ নিয়েও আজকের বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। কারণ সন্ত্রাসবাদীরা আমাদের প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশের মাটি ব্যবহার করতে পারে। সেই কারণে আমাদের সব সময়ই সতর্ক থাকতে হবে। উত্তর-পূর্ব ভারতের জঙ্গি গোষ্ঠীগুলোকে আমরা অনেকটাই দমন করতে পেরেছি। কিন্তু কিছু সন্ত্রাসবাদী বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। যদিও প্রতিবেশী এই দেশটির সহায়তায় ওই জঙ্গিদের ওপর নজর রাখা হচ্ছে।


বিবার্তা/ডিডি/ইমদাদ

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

৪৬, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ

কারওয়ান বাজার (৬ষ্ঠ তলা), ঢাকা-১২১৫

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: bbartanational@gmail.com, info@bbarta24.net

© 2016 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com