সুস্থতা নির্ভর করে সঠিক খাদ্যাভ্যাসে
প্রকাশ : ২৭ জুন ২০১৮, ১৫:১৬
সুস্থতা নির্ভর করে সঠিক খাদ্যাভ্যাসে
বিবার্তা ডেস্ক
প্রিন্ট অ-অ+

বাঙালী ভোজনরসিক। আর সেটা বোঝা যায় ভোজনের বেলায়, মানে হলো খাওয়া-দাওয়ার সময়। আর তাই এখনি এটা খাচ্ছি, তখনই ওটা খাচ্ছি... কত কিছুই না খাচ্ছি সারাদিন। কিন্তু নিয়ম মেনে খাচ্ছি কি? কি খেলাম বা কখন খেলাম বুঝে খাচ্ছি তো? আজকাল মুটিয়ে যাবার প্রবণতা সব বয়সের মানুষের মাঝেই বেড়েছে ভীষণভাবে। কেবল প্রাপ্ত বয়স্করা নয়, এলোমেলো খাদ্যাভ্যাসের কারণে ওজন বেড়ে যাচ্ছে কম বয়সী ছেলে মেয়েদেরও। বিভিন্ন রোগেও ভুগতে হচ্ছে আমাদের।


খাওয়ার ধাক্কায় মূল বিষয়টি সবাই ভুলে বসে, সেটা হল- খাদ্যের আসল কাজ ক্ষুধা নিবারণ করা। খাওয় নিয়ে যার যেরকম আবেগ কাজ করুক না কেনো খেতে হবে শুধুমাত্র ক্ষুধা লাগলে। মানে যখন দেহের চাহিদা হবে তখনই খাবার খাওয়া উচিত। অর্থাৎ নিয়ম মেনে খাবার গ্রহন করা।


নিয়ম মেনে খাওয়া-দাওয়া হয়ে ওঠে না আমাদের অনেকেরই। কিন্তু খাওয়া-দাওয়ায় নিয়ম-কানুন মানার দরকার আছে বৈকি।


সকালে নাশতা কখনোই বাদ দেবেন না। সকালে বের হওয়ার আগে তৃপ্তিসহকারে খান, কাজে বল পাবেন। সকালের পর মানুষ কর্মব্যস্ত হয়ে পড়ে বলে তখন ভারী খাবার খাওয়া উচিত।


দুপুরে পেট ভরে খাওয়া নয়; বরং মাঝারি মাপে খাবার খান।


রাতে শোয়ার দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা আগে হালকা খাবার খাওয়া ভালো। সহজে হজম হয় এবং পাকস্থলীর বিশ্রামে সহায়ক এমন খাবার রাতে খাওয়া উচিত।


খেতে খেতে বেশি পানি পান করলে খাবার ঠিকমতো হজম হয় না। তাই খাওয়ার অন্তত ৩০-৪০ মিনিট পর পানি পান করা উচিত। এতে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থেকেও রেহাই পাওয়া যায়।


যখন বেশি সক্রিয় থাকবেন, তখন পরিমাণে একটু বেশি খাবার খাবেন। কম সক্রিয় থাকার সময় একটু কম খান।


একবারে পেট ভরে না খেয়ে বারবার খান। ভালো হয় দুই ঘণ্টা অন্তর কিছু না কিছু খাবার খাওয়ার অভ্যাস করলে। এতে প্রচণ্ড ক্ষুধা পায় না, খাবারও সহজে হজম হয়।


স্ন্যাকসজাতীয় খাবার খাওয়ার পর মূল খাবারে কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ কমিয়ে আনা ভালো।


রাতে শাক কিংবা করলা খেতে নিষেধ করা হয়, যা ঠিক নয়। ঘুমানোর দু-আড়াই ঘণ্টা আগে হাঁটাচলা করলে শাক বা করলার মতো খাবারও হজম হয়।


ইসুবগুলের ভুসি অনেকক্ষণ ভিজিয়ে না রেখে পানি দিয়ে গুলিয়ে সঙ্গে সঙ্গে খাওয়াই ভালো।


চা-কফি দিনে দু-একবার খেতে পারেন, এর বেশি নয়।


অতিরিক্ত মুটিয়ে যাওয়া কিংবা স্বাস্থ্য খারাপ হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যাগুলো সাধারণত হয় সঠিক খাদ্যাভ্যাসের অভাবে। খাদ্যাভ্যাসের নিয়মিত অনিয়ম ঘুমের ব্যাঘাতও ঘটাতে পারে। সুস্থ ও সুন্দর জীবনযাপন করার জন্য একটু সচেতনভাবে নির্বাচন করুন আপনার দৈনন্দিন খাদ্য তালিকা।


বিবার্তা/শারমিন

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

৪৬, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ

কারওয়ান বাজার (৬ষ্ঠ তলা), ঢাকা-১২১৫

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: bbartanational@gmail.com, info@bbarta24.net

© 2016 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com