হুন্ডি তৎপরতায় রেমিট্যান্স প্রবাহ কমছে : সিআইডি
প্রকাশ : ০৪ জানুয়ারি ২০১৮, ১৯:১৩
হুন্ডি তৎপরতায় রেমিট্যান্স প্রবাহ কমছে : সিআইডি
বিবার্তা প্রতিবেদক
প্রিন্ট অ-অ+

বিকাশের মাধ্যমে অবৈধ হুন্ডি তৎপরতা রেসিট্যান্স প্রবাহ কমিয়ে দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মোল্যা নজরুল ইসলাম। বৃহস্পতিবার দুপুরে সিআইডি কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এমন তথ্য জানিয়েছেন তিনি।


মোল্যা নজরুল ইসলাম জানান, সম্প্রতি রেমিট্যান্স প্রবাহ কমে যাওয়ায় গত সেপ্টেম্বর মাসে বিএফআইইউ একটি প্রতিবেদন সিআইডিতে পাঠায়। এরপর অর্গানাইজড ক্রাইম সিআইডি প্রতিবেদনটি বিস্তারিত অনুসন্ধান শুরু করে জানা যায়, একটি সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্র রেমিট্যান্স কমানোর পেছনে কাজ করছে। এই চক্রটি অবৈধ হুন্ডি তৎপরতার মাধ্যমে রেমিট্যান্স প্রবাহ কমিয়ে দিচ্ছে।


তিনি জানান, হুন্ডিকারী দলের কিছু সদস্য বাংলাদেশে এবং কিছু সদস্য বিদেশে অবস্থান করে বাংলাদেশী ওয়েজ আর্নারদের কাছ থেকে বৈদেশিক মুদ্রা গ্রহণ করে। পরে তা বৈধ পথে বাংলাদেশে না পাঠিয়ে এই অর্থের মূল্য স্থানীয় মুদ্রায় পরিশোধ করা হয়। আর অর্থ প্রদানে বিকাশের হিসাব ব্যবহার করে চক্রটি। পরবর্তীতে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে অর্গানাইজড ক্রাইমের কয়েকটি চৌকষ দল দেশের বিভিন্ন জেলায় অভিযান চালায়। এ সময় আট জন হুন্ডিকারী বিকাশের এজেন্টকে গ্রেফতার করা হয়।


গ্রেফতারদের মধ্যে রয়েছেন- রাজশাহী গোদাগাড়ী উপজেলার মাদারপুর এলাকার বাসিন্দা মো, সাইফুদ্দিনের ছেলে মো. মান্নান, পাবনা জেলার আমিনপুর উপজেলার বাসিন্দা ছোরমান আলী মৃধার ছেলে মনোয়ার হোসেন মিন্টু, একই জেলার ডাঙ্গুরা উপজেলার ডাঙ্গুরা গ্রামের বাসিন্দা মৃত গোপাল চন্দ্র পালের ছেলে সংগীত কুমার পাল, সাথিয়া উপজেলার হাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা মৃত আবুল হোসেন ফকিরের ছেলে মো. জামিনুল হক, আমিনপুর উপজেলার মাষ্টিয়া গ্রামের বাসিন্দা আফের আলীর ছেলে মোজাম্মেল মোল্লা, বেড়া উপজেলার সারাসিয়া গ্রামের বাসিন্দা মৃত আব্দুল হাই প্রামানিকের ছেলে হোসেন আলী, চট্টগ্রামের লোহাগড়া উপজেলার বাইয়ার পাড়া গ্রামের ফৌজুর কবিরের ছেলে দিদারুল হক ও ময়মনসিংহয়ের ফুলপুর এলাকার বাসিন্দা আবু বকর সিদ্দিকী।


সংবাদ সম্মেলনে মোল্যা নজরুল ইসলাম আরো জানান, হুন্ডিকারীরা বেশিভাগ সময় গভীর রাতে বিকাশের মাধ্যমে লেদদেন করছে। তবে নিয়মানুযায়ী গভীর রাতে বিকাশে কোনো লেদদেন হয় না বলেও জানান তিনি।


বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) তথ্যের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, হুন্ডি ব্যবসায়ীরা ২ হাজার ৮০০ বিকাশ এজেন্টের মাধ্যমে কয়েক কোটি টাকার লেনদেন করেছে বলে তাদের জানিয়েছে।


সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিনহাজুল ইসলাম, রায়হান উদ্দিন, আসলাম উদ্দিন রফিকুল ইসলাম, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার নাজিম উদ্দিন ও শারমিন জাহান।


বিবার্তা/খলিল/কাফী

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : বাণী ইয়াসমিন হাসি

৪৬, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ

কারওয়ান বাজার (৬ষ্ঠ তলা), ঢাকা-১২১৫

ফোন : ০২-৮১৪৪৯৬০, মোবা. ০১৯৭২১৫১১১৫

Email: bbartanational@gmail.com, info@bbarta24.net

© 2016 all rights reserved to www.bbarta24.net Developed By: Orangebd.com